Thursday, September 18, 2014
ফ্রিল্যান্সিং এর কিছু ব্যতিক্রমি পরামর্শ
Posted by Unknown on 4:53 PM. - No comments
ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে পরামর্শের অভাব নেই। সমস্যা হচ্ছে সব পরামর্শ মেনে সফলতার দেখা পাওয়া যায় না। তাত্ত্বিকভাবে ভাল হওয়ার নিয়ম এবং বাস্তবে ভাল করার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য পাওয়া যায়।
এখানে সরল কিছু নিয়ম তুলে ধরা হচ্ছে যা অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া। এগুলি অনুসরন করে নিশ্চিত সাফল্য পেতে পারেন।
. ফ্রিল্যান্সিং বাজারে কিসের চাহিদা বেশি খোজ করবেন না
কোন কাজ করলে বেশি আয় করা যায় কিংবা কোন কাজ বেশি পাওয়া যায় এই দৃষ্টিতে ফ্রিল্যান্সিং দেখবেন না। আপনি নিজে যেকাজে দক্ষ, যেকাজ পছন্দ করেন, সেকাজে মনোনিবেশ করুন।
. একেবারে নিচ থেকে শুরু করুন
যেকাজ থেকে বেশি আয় হয় সেকাজের চেয়ে যেকাজ সহজ এবং কম টাকায় করা সম্ভব সেকাজ দিয়ে শুরু করুন। অভিজ্ঞতা বাড়লে একসময় বড় কাজের দিকে যেতে পাতে পারেন। অথবা কম টাকার ছোট কাজ করেও বেশি টাকার বড় কাজের থেকে বেশি আয় করতে পারেন।
. স্থানিয় কাজের যোগাযোগ ঠিক রাখুন
অনলাইনে যে কাজ করবেন স্থানীয়ভাবে সেই কাজ করুন। স্থানিয়ভাবে কাজের সময় সামনাসামনি ক্লায়েন্টের সাথে আলাপের সুযোগ থাকে, তার বক্তব্য জানার সুযোগ তৈরী হয়। নিজের ভুল-ত্রুটি দুর করার জন্য বিষয়টি গুরুত্বপুর্ন।
. নিজের জীবন বৃত্তান্ত প্রয়োজন নেই
অনেকেই বলে থাকেন নিজের পরিচিতি খুব ভালভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। বাস্তবে দেখা যায় অনেক ক্লায়েন্টই সেগুলি দেখার জন্য সময় ব্যয় করেন না। তারা কিছু কাজের উদাহরন দেখেই সন্তুষ্ট থাকেন।
. অন্যের নিয়ম আপনার জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে
ইন্টারনেটে ক্রমাগত বিজ্ঞাপন দেখে থাকবেন কে কত সহজে ধনী হয়েছে। হয়থ সেটা সত্যি। আপনার ক্ষেত্রে সেটা নাও হতে পারে। দ্রুত টাকা অর্জনের সহজ পদ্ধতির কথা শূনে কাউকে অনুকরন করবেন না।
. প্রতিযোগিতায় নিজের অবস্থান নিয়ে ভাববেন না
ফ্রিল্যান্সার জব সাইটের বর্তমান সদস্য ১ কোটির বেশি। এদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক ফ্রিলান্সার হয়ত আসলেই আপনার চেয়ে দক্ষ। একথা মনে করলে প্রতিযোগিতায় আপনার টেকার কথা না। বাস্তবে খোজ করলে দেখা যাবে আপনার চেয়ে কম দক্ষতা নিয়েও অনেকে ভাল করছেন। অন্যের সাথে তুলনা না করে নিজেকে কিভাবে আরো দক্ষ করা যায় সেকথা ভাবুন।
ফ্রিল্যান্সিংকে সরলভাবে দেখুন। আপনার দক্ষতা এবং আন্তরিকতা অন্য সমস্ত সমস্যা দুর করে সফলতা এনে দিতে পারে।
বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং কেন জরুরী
Posted by Unknown on 4:49 PM. - No comments
ফ্রিল্যান্সিং
এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে এতটাই প্রচার করা হয়েছে কমবেশি সবাই জানেন এর সুফল কি। দেশ
মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে, ধনী দেশে পরিনত হবে, দেশের প্রধান আয়ের উতস হবে ইত্যাদি।
একজন হিসেব করে বলেছেন বাংলাদেশ বিশ্বে ২২ নম্বর ধনী দেশ হবে।
মুল বিষয়ে যাওয়ার
আগে অন্তত একটা উদাহরন দেখা যাক। কয়েক বছর আগে বলা হয়েছিল কলসেন্টারের মাধ্যমে বিপুল
আয় করা যাবে, লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। শতশত প্রতিস্ঠান হন্নে হয়ে লাইসেন্স
নিয়েছে। এদের বেশিরভাগই চালু হয়নি, যেগুলি চালু হয়েছিল তার অধিকাংশ বন্ধ হয়ে গেছে,
যে সামান্য কয়টি চালু রয়েছে সেগুলিও বন্ধ হওয়ার পথে।
অন্য উদাহরনগুলি
উল্লেখ না করলেও চলে। অনেকেরই হয়ত মনে আছে ডাটা এন্ট্রি, মেডিকেল ডাটা ট্রান্সক্রিপশন,
মাল্টিমিডিয়া, ওয়াপ কনভার্শন ইত্যাদির কথা। সেগুলি মনে থাকলে মনে করা হয়ত অস্বাভাবিক
না, ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংও একই পরিনতির দিকে যাচ্ছে। এরইমধ্যে আলোচনায় কিছুটা
ভাটা পড়েছে। যারা ঘরে বসে সহজে আয়ের কথা শুনে চেষ্টা করেছিলেন তাদের কেউ প্রতারনার
শিকার হয়েছেন, কেউ আয় সহজ না দেখে হাল ছেড়ে দিচ্ছেন। যারা একবার শুরু করলে হাল ছাড়েন
না তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
সরকারী-বেসরকারী
এবং অন্যান্য মহল থেকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে যত সুন্দর কথাই বলা হোক না কেন, কাজের
বিষয়ে সবার ভুমিকা এক। তারা কথাই বলবেন, কাজে সহায়তা দুরের কথা, যতভাবে সম্ভব বাধা
তৈরী করে রাখবেন।
যে সমস্যাগুলির
কথা বহু বছর ধরে প্রচলিত সেগুলি আরেকবার স্বরন করা যেতে পারে;
. ইন্টারনেট সহজ্যলভ্য করা হচ্ছে না। বলা হচ্ছে
পুরো দেশ ইন্টারনেটের আওতায়, মোবাইলফোন ব্যবহারকারীদের অর্ধেকই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।
বাস্তবতা সেকথা বলে না। মেগাবাইটপ্রতি ১ টাকার বিজ্ঞাপন দেয়া হয়, নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়
না এগুলি খোদ ঢাকা শহরের সমস্যা। ঢাকার বাইরের কথা না তোলাই ভাল। আনলিমিটেড শব্দটি
বাংলাদেশে ভিন্ন অর্থ বহন করে। ইন্টারনেট সহজলভ্য না করে ফ্রিল্যান্সিং এ ভাল করার
সুযোগ নেই।
. অর্থ লেনদেনের ব্যবস্থা সহজ করা হচ্ছে না।
পেপল-ক্রেডিটকার্ড ব্যবহার চালূ না করে এবং ব্যাংকিং সহজ না করে অর্থ আয়ের চিন্তা না
করাই ভাল। কাজ করবেন অথচ টাকা পাবেন না এই নিয়মে কেউ কাজ করে না। অনলাইনে কেনাকাটার
পদ্ধতি চালু না হলে গুগল এডসেন্স, এফিলিয়েটেড মার্কেটিং ইত্যাদি থেকে আয়ের পদ্ধতিগুলি
কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।
. প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা নিয়ে আদৌ কোন কথা বলা
হয় না। ধরে নেয়া হয় কেউ নিজের চেষ্টায় অথবা ট্রেনিং সেন্টার নামের ব্যবসা প্রতিস্ঠানে
শিখে সারা বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতা করবেন। এভাবে গ্রাফিক ডিজাইন কিংবা এনিমেশন শিখে
সেই বিষয়ে গ্রাজুয়েট কারো সাথে প্রতিযোগিতায় টেকার সুযোগ পাওয়া কম ব্যক্তির পক্ষেই
সম্ভব।
বলা হয় বাংলাদেশে
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বছরে ২৫ লক্ষ। কেউ বলেন সত্যিকারের হিসেব আরো বেশি। প্রতিবছর
কর্মসংস্থানের উপযোগি হচ্ছে এদের সংখ্যা এরথেকে খুব কম হওয়ার কথা না। বছরে ১৫ কিংবা
২০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার পদ্ধতি কি সেকথা কেউ বলছেন না। এতদিন
কর্মসংস্থানের কথা উঠলেই অন্যদেশে শ্রমিক পাঠানোর কথা বলা হত। বর্তমানে সেই বাজার প্রায়
বন্ধ। দেশে শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত যে বেকার জমা হচ্ছে তাদের জন্য কোন পথনির্দেশ কি কেউ
দেবেন?
সাধারনভাবে সমস্যায়
পড়লে মানুষ মনে করে কোন একভাবে, কোন একসময় সমাধান হবে। এই সমস্যার সমাধান অন্তত আমার
জানা নেই। একমাত্র ফ্রিল্যান্সিং ছাড়া।
ফ্রিল্যান্সিং
সমাধান দিতে পারে কয়েকটি কারনে।
. পুরো বিশ্বেই কাজের ধরন পাল্টে যাচ্ছে। একসময়
যেসব কাজের জন্য বেতনভোগি লোক নিয়োগ দেয়া গত এখন সেগুলি আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা
হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া আরো বৃদ্ধি পাবে।
. এজন্য বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন নেই। কলকারখানা
তৈরী করতে হবে না। প্রযুক্তি কিংবা কাচামাল প্রয়োজন হবে না। এমনকি কারো দায়িত্বও নিতে
হবে না। শুধুমাত্র পথ দেখানো এবং বাধাগুলি দুর করাই যথেষ্ট।
Thursday, August 28, 2014
Steve Jobs
Posted by Unknown on 10:11 AM. - No comments
.jpg)
Steven Paul "Steve" Jobs ( February 24, 1955 – October 5, 2011) was an American entrepreneur, marketer, and inventor, who was the co-founder, chairman, and CEO of Apple Inc. Through Apple, he is widely recognized as a charismatic and design-driven pioneer of the personal computer revolution and for his influential career in the computer and consumer electronics fields, transforming "one industry after another, from computers and smartphones to music and movies." Jobs also co-founded and served as chief executive of Pixar Animation Studios; he became a member of the board of directors of The Walt Disney Company in 2006, when Disney acquired Pixar. Jobs was among the first to see the commercial potential of Xerox PARC's mouse-driven graphical user interface, which led to the creation of the Apple Lisa and, a year later, the Macintosh. He also played a role in introducing the LaserWriter, one of the first widely available laser printers, to the market.
After a power struggle with the board of directors in 1985, Jobs left Apple and founded NeXT, a computer platform development company specializing in the higher-education and business markets. In 1986, he acquired the computer graphics division of Lucasfilm, which was spun off as Pixar. He was credited in Toy Story (1995) as an executive producer. He served as CEO and majority shareholder until Disney's purchase of Pixar in 2006. In 1996, after Apple had failed to deliver its operating system, Copland, Gil Amelio turned to NeXT Computer, and the NeXTSTEP platform became the foundation for the Mac OS X. Jobs returned to Apple as an advisor, and took control of the company as an interim CEO. Jobs brought Apple from near bankruptcy to profitability by 1998.
As the new CEO of the company, Jobs oversaw the development of the iMac, iTunes, iPod, iPhone, and iPad, and on the services side, the company's Apple Retail Stores, iTunes Store and the App Store. The success of these products and services provided several years of stable financial returns, and propelled Apple to become the world's most valuable publicly traded company in 2011. The reinvigoration of the company is regarded by many commentators as one of the greatest turnarounds in business history.
In 2003, Jobs was diagnosed with a pancreas neuroendocrine tumor. Though it was initially treated, he reported a hormone imbalance, underwent a liver transplant in 2009, and appeared progressively thinner as his health declined. On medical leave for most of 2011, Jobs resigned in August that year, and was elected Chairman of the Board. He died of respiratory arrest related to the tumor on October 5, 2011.
Jobs received a number of honors and public recognition for his influence in the technology and music industries. He has been referred to as "legendary", a "futurist" and a "visionary", and has been described as the "Father of the Digital Revolution," a "master of innovation," "the master evangelist of the digital age" and a "design perfectionist.
Source: wikipedia
Nelson Rolihlahla Mandela
Posted by Unknown on 10:01 AM. - No comments
(18 July 1918 – 5 December 2013) was a South African anti-apartheid revolutionary, politician and philanthropist who served as President of South Africa from 1994 to 1999. He was South Africa's first black chief executive, and the first elected in a fully representative democratic election. His government focused on dismantling the legacy of apartheid through tackling institutionalized racism, poverty and inequality, and fostering racial reconciliation. Politically an African nationalist and democratic socialist, he served as President of the African National Congress (ANC) from 1991 to 1997. Internationally, Mandela was Secretary General of the Non-Aligned Movement from 1998 to 1999.
A Xhosa born to the Thembu royal family, Mandela attended the Fort Hare University and the University of Witwatersrand, where he studied law. Living in Johannesburg, he became involved in anti-colonial politics, joining the ANC and becoming a founding member of its Youth League. After the South African National Party came to power in 1948, he rose to prominence in the ANC's 1952 Defiance Campaign, was appointed superintendent of the organisation's Transvaal chapter and presided over the 1955 Congress of the People. Working as a lawyer, he was repeatedly arrested for seditious activities and, with the ANC leadership, was unsuccessfully prosecuted in the Treason Trial from 1956 to 1961. Influenced by Marxism, he secretly joined the South African Communist Party (SACP) and sat on its Central Committee. Although initially committed to non-violent protest, in association with the SACP he co-founded the militant Umkhonto we Sizwe (MK) in 1961, leading a sabotage campaign against the apartheid government. In 1962, he was arrested, convicted of conspiracy to overthrow the state, and sentenced to life imprisonment in the Rivonia Trial.
Mandela served 27 years in prison, initially on Robben Island, and later in Pollsmoor Prison and Victor Verster Prison. An international campaign lobbied for his release. He was released in 1990, during a time of escalating civil strife. Mandela joined negotiations with President F. W. de Klerk to abolish apartheid and establish multiracial elections in 1994, in which he led the ANC to victory and became South Africa's first black president. He published his autobiography in 1995. During his tenure in the Government of National Unity he invited other political parties to join the cabinet, and promulgated a new constitution. He also created the Truth and Reconciliation Commission to investigate past human rights abuses. While continuing the former government's liberal economic policy, his administration also introduced measures to encourage land reform, combat poverty, and expand healthcare services. Internationally, he acted as mediator between Libya and the United Kingdom in the Pan Am Flight 103 bombing trial, and oversaw military intervention in Lesotho. He declined to run for a second term, and was succeeded by his deputy, Thabo Mbeki. Mandela became an elder statesman, focusing on charitable work in combating poverty and HIV/AIDS through the Nelson Mandela Foundation.
Mandela was a controversial figure for much of his life. Denounced as a communist terrorist by critics, he nevertheless gained international acclaim for his activism, having received more than 250 honours, including the 1993 Nobel Peace Prize, the US Presidential Medal of Freedom, and the Soviet Order of Lenin. He is held in deep respect within South Africa, where he is often referred to by his Xhosa clan name, Madiba, or as Tata ("Father"); he is often described as the "Father of the Nation".
Source: wikipedia
Tuesday, August 12, 2014
অন্য রকম উদ্যোক্তা
Posted by Unknown on 11:43 AM. - No comments
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাইল্যাবসসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। গড়ে তুলেছেন 'অন্যরকম গ্রুপ'। তাঁর অনলাইনে বই বিকিকিনির প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকম বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প শোনাচ্ছেন মাহমুদুল হাসান সোহাগ
ছোটবেলা থেকেই গতানুগতিক কিছু করতে চাইতাম না। সব সময় ভাবতাম অন্য রকম কিছু করতে হবে। তাই আমার গ্রুপ অব কম্পানিজের নামও হয়তো 'অন্যরকম গ্রুপ'। বাংলাদেশে প্রায় সবাই পাস করে চাকরিতে ঢুকতে চায়। সেখানে আমার আলাদা কিছু করার ইচ্ছা ছিল। কোনো সমস্যা দেখলেই সেটা সমাধানের চেষ্টা করার প্রবণতা আমার আছে। পরে ভাবলাম উদ্যোক্তা হলে এ ভূমিকায় থাকা যাবে।
২০০২ সালের শুরুর কথা। আমরা তিন বন্ধু মিলে আউটসোর্সিং করতাম। সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিক্স মিলে আমরা পাইল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড নাম দিই। আমার বন্ধু মাসুম হাবিবের কোনো কম্পিউটার ছিল না। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ও শিখে ফেলে প্রোগ্রামিং। আমাদের মধ্যে সে-ই ছিল সবচেয়ে অভিজ্ঞ। আমরা বাইরের দেশের কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ পাই। পেমেন্টের টাকা দিয়ে ও কম্পিউটার কেনে। মানুষ কাজ করতে গিয়ে নানা অজুহাত দেয়, আমার এটা নেই। মাসুম প্রোগ্রামিং শিখেছে, সফটওয়্যার বানিয়েছে, সেটা বিদেশে বিক্রি করেছে, অথচ তার কোনো কম্পিউটার ছিল না।
তখন বন্ধুরা পড়াশোনার বাইরে কিছু করা যায় বলতে টিউশনি করা বুঝত। সবার উৎসাহ, এরা কী করে। আমাদের কাজের কথা বন্ধুদের অনেকেই জেনে যায়। তাদের আত্মীয়স্বজন যাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের মাধ্যমে কিছু কাজ পাই। শুরুতে আমরা সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিক্সের কাজ একসঙ্গে করতাম। পরে পাইল্যাবস থেকে সফটওয়্যারের অংশ আলাদা করে এর নাম দিই অন্যরকম সফটওয়্যার লিমিটেড। পাইল্যাবসে মূলত আমরা গবেষণার কাজটা করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানের কাজও আমরা করি। এর আগে গার্মেন্ট সেক্টরে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা কাজ করেছি। পাওয়ার প্লান্টের ফুয়েল মেজারমেন্টের কাজ করেছি। এ রকম অনেক সমস্যার সমাধান করছি, সাধারণত যেটির রেডিমেড সলিউশন মার্কেটে পাওয়া যায় না। অন্যরকম সফটওয়্যার লিমিটেড ভোট কাউন্টিং, এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারসহ গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে সফটওয়্যার তৈরি করে দেয়। পাইল্যাবসের গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনের কাজ করে আমাদের প্রতিষ্ঠান অন্যরকম ইলেকট্রনিক্স।
অন্যরকম গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠান টেকশপ বিডি। টেকশপের শুরুটাও সমস্যার সমাধান করার ভাবনা থেকেই। ছাত্রাবস্থায় দেখেছি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে গবেষণা করতে গেলে বাজারে উপকরণ পাওয়া যায় না। আমি রোবট বানাব, বাজারে সেটার উপকরণ নেই। ফলে করতে হয় উল্টোটা। বাজারে কী উপকরণ পাওয়া যায়, তারপর সে অনুসারে চিন্তা করতে হতো কী বানানো সম্ভব। টেকশপ বিডির মাধ্যমে এখন যেকোনো উপকরণ দেশেই পেয়ে যাচ্ছে।
অন্যরকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকম বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মানুষের দোরগোড়ায় বই পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে রকমারি। বই পাওয়াটা একটা সমস্যা। ঢাকার বাইরে যারা আছে, তাদের জন্য তো আরো সমস্যা। ঘরে বসে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে বই অর্ডার করলে আমরা বই পৌঁছে দিই, এরপর টাকা নিই।
আমার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। আমি মনে করি এটা থাকা ভালো। কেউ যখন দৌড়াতে যায়, তখন সামনে দেয়াল এসে দাঁড়ালে বোঝা যায় তার সত্যিকারের দৌড়ানোর মানসিকতা আছে কি না। যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সে দেয়াল ডিঙিয়ে চলে যাবে। যে দুর্বল মানসিকতার, বলবে আমি কিভাবে এগোব। সামনে দেয়াল। সমস্যা থাকবেই। পৃথিবীর এমন কোনো কাজ নেই, যেখানে সমস্যা নেই। এটাকে অজুহাত দেখিয়ে যারা পিছিয়ে যায়, আমি বলব, তাদের মাঠে নামাই উচিত নয়।
আমরা শুরু করেছিলাম প্রায় শূন্য হাতে। এখন আমাদের এখানে খণ্ডকালীন পূর্ণকালীন মিলিয়ে প্রায় এক হাজার মানুষ কাজ করে। এটা এক দিনে হয়নি। ২০০৬ সালে প্রথম অফিস নেই। এর আগে আমরা বুয়েটের হলে বসে কাজ করেছি। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কিন্তু বুয়েটের হলেই বানানো। অফিস নেওয়ার পর প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জোগাড় করতে হতো। কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হয় জানতাম না। মাঠে নেমে গেছি সাহস করে। ধাক্কা খেয়ে কিছু শিখেছি। এখনো শেখা বাকি।
![]() |
| অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ |
ছোটবেলা থেকেই গতানুগতিক কিছু করতে চাইতাম না। সব সময় ভাবতাম অন্য রকম কিছু করতে হবে। তাই আমার গ্রুপ অব কম্পানিজের নামও হয়তো 'অন্যরকম গ্রুপ'। বাংলাদেশে প্রায় সবাই পাস করে চাকরিতে ঢুকতে চায়। সেখানে আমার আলাদা কিছু করার ইচ্ছা ছিল। কোনো সমস্যা দেখলেই সেটা সমাধানের চেষ্টা করার প্রবণতা আমার আছে। পরে ভাবলাম উদ্যোক্তা হলে এ ভূমিকায় থাকা যাবে।
২০০২ সালের শুরুর কথা। আমরা তিন বন্ধু মিলে আউটসোর্সিং করতাম। সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিক্স মিলে আমরা পাইল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেড নাম দিই। আমার বন্ধু মাসুম হাবিবের কোনো কম্পিউটার ছিল না। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় ও শিখে ফেলে প্রোগ্রামিং। আমাদের মধ্যে সে-ই ছিল সবচেয়ে অভিজ্ঞ। আমরা বাইরের দেশের কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ পাই। পেমেন্টের টাকা দিয়ে ও কম্পিউটার কেনে। মানুষ কাজ করতে গিয়ে নানা অজুহাত দেয়, আমার এটা নেই। মাসুম প্রোগ্রামিং শিখেছে, সফটওয়্যার বানিয়েছে, সেটা বিদেশে বিক্রি করেছে, অথচ তার কোনো কম্পিউটার ছিল না।
তখন বন্ধুরা পড়াশোনার বাইরে কিছু করা যায় বলতে টিউশনি করা বুঝত। সবার উৎসাহ, এরা কী করে। আমাদের কাজের কথা বন্ধুদের অনেকেই জেনে যায়। তাদের আত্মীয়স্বজন যাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের মাধ্যমে কিছু কাজ পাই। শুরুতে আমরা সফটওয়্যার ও ইলেকট্রনিক্সের কাজ একসঙ্গে করতাম। পরে পাইল্যাবস থেকে সফটওয়্যারের অংশ আলাদা করে এর নাম দিই অন্যরকম সফটওয়্যার লিমিটেড। পাইল্যাবসে মূলত আমরা গবেষণার কাজটা করি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধানের কাজও আমরা করি। এর আগে গার্মেন্ট সেক্টরে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আমরা কাজ করেছি। পাওয়ার প্লান্টের ফুয়েল মেজারমেন্টের কাজ করেছি। এ রকম অনেক সমস্যার সমাধান করছি, সাধারণত যেটির রেডিমেড সলিউশন মার্কেটে পাওয়া যায় না। অন্যরকম সফটওয়্যার লিমিটেড ভোট কাউন্টিং, এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যারসহ গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে সফটওয়্যার তৈরি করে দেয়। পাইল্যাবসের গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনের কাজ করে আমাদের প্রতিষ্ঠান অন্যরকম ইলেকট্রনিক্স।
অন্যরকম গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠান টেকশপ বিডি। টেকশপের শুরুটাও সমস্যার সমাধান করার ভাবনা থেকেই। ছাত্রাবস্থায় দেখেছি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে গবেষণা করতে গেলে বাজারে উপকরণ পাওয়া যায় না। আমি রোবট বানাব, বাজারে সেটার উপকরণ নেই। ফলে করতে হয় উল্টোটা। বাজারে কী উপকরণ পাওয়া যায়, তারপর সে অনুসারে চিন্তা করতে হতো কী বানানো সম্ভব। টেকশপ বিডির মাধ্যমে এখন যেকোনো উপকরণ দেশেই পেয়ে যাচ্ছে।
অন্যরকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রকমারি ডটকম বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মানুষের দোরগোড়ায় বই পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে রকমারি। বই পাওয়াটা একটা সমস্যা। ঢাকার বাইরে যারা আছে, তাদের জন্য তো আরো সমস্যা। ঘরে বসে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে বই অর্ডার করলে আমরা বই পৌঁছে দিই, এরপর টাকা নিই।
আমার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। আমি মনে করি এটা থাকা ভালো। কেউ যখন দৌড়াতে যায়, তখন সামনে দেয়াল এসে দাঁড়ালে বোঝা যায় তার সত্যিকারের দৌড়ানোর মানসিকতা আছে কি না। যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সে দেয়াল ডিঙিয়ে চলে যাবে। যে দুর্বল মানসিকতার, বলবে আমি কিভাবে এগোব। সামনে দেয়াল। সমস্যা থাকবেই। পৃথিবীর এমন কোনো কাজ নেই, যেখানে সমস্যা নেই। এটাকে অজুহাত দেখিয়ে যারা পিছিয়ে যায়, আমি বলব, তাদের মাঠে নামাই উচিত নয়।
আমরা শুরু করেছিলাম প্রায় শূন্য হাতে। এখন আমাদের এখানে খণ্ডকালীন পূর্ণকালীন মিলিয়ে প্রায় এক হাজার মানুষ কাজ করে। এটা এক দিনে হয়নি। ২০০৬ সালে প্রথম অফিস নেই। এর আগে আমরা বুয়েটের হলে বসে কাজ করেছি। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কিন্তু বুয়েটের হলেই বানানো। অফিস নেওয়ার পর প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জোগাড় করতে হতো। কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হয় জানতাম না। মাঠে নেমে গেছি সাহস করে। ধাক্কা খেয়ে কিছু শিখেছি। এখনো শেখা বাকি।
Wednesday, August 6, 2014
RIP আরব লীগ ..... RIP জাতিসংঘ..................
Posted by Unknown on 12:28 PM. - No comments
আরব লীগ এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।
জাতিসংঘের মানবতা কিন্তু জাগেনি।
জাগেনি বিশ্বের সো কলড গার্ডিয়ান ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকার।
তেনাদের জাতিয় প্রতিক গ্রেট ঈগল মানবতা শান্তির চাপা ছাড়লেও সেই ঈগলের চোখ বন্ধ থাকে যখন আফগান কোন গৃহবধুকে মার্কিন সেনারা গ্যাংরেপ করে। সেই ঈগলের মুখ বন্ধ থাকে যখন ফিলস্তিনি কোন শিশুকে বিনা আবেগে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ইসরায়েলি কোন জানোয়ার।
জাতিসংঘের মানবতা কিন্তু জাগেনি।
জাগেনি বিশ্বের সো কলড গার্ডিয়ান ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকার।
তেনাদের জাতিয় প্রতিক গ্রেট ঈগল মানবতা শান্তির চাপা ছাড়লেও সেই ঈগলের চোখ বন্ধ থাকে যখন আফগান কোন গৃহবধুকে মার্কিন সেনারা গ্যাংরেপ করে। সেই ঈগলের মুখ বন্ধ থাকে যখন ফিলস্তিনি কোন শিশুকে বিনা আবেগে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে ইসরায়েলি কোন জানোয়ার।
মানবতা তামাশার আচলে ঢাকা...আফসোস !!
Posted by Unknown on 12:24 PM. - No comments
মানবতা ও বিবেকবোধ নিয়ে সুন্দর তামাশা করলো মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবি...
ওরা বলেছিল ঈদের জামা দিবে (কেউ কি বলবে যে এটা ঈদের জামা?)
কিন্তু তা না দিয়ে ওরা একটা গা ঢাকার জন্য ব্যান্ডেড জামা/কাপড় দিয়েছে।
ওরা এক একটা পথশিশুর গায়ে সিল মেরে দিয়েছে যে, সে ”পথ শিশু”।
রাস্তায় অনেক শিশু দেখে বোঝাই যায়না এরা পথশিশু! এখন চিনতে সুবিধা হবে...
ওরা বলেছিল ঈদের জামা দিবে (কেউ কি বলবে যে এটা ঈদের জামা?)
কিন্তু তা না দিয়ে ওরা একটা গা ঢাকার জন্য ব্যান্ডেড জামা/কাপড় দিয়েছে।
ওরা এক একটা পথশিশুর গায়ে সিল মেরে দিয়েছে যে, সে ”পথ শিশু”।
রাস্তায় অনেক শিশু দেখে বোঝাই যায়না এরা পথশিশু! এখন চিনতে সুবিধা হবে...


.jpg)


.jpg)
.jpg)



Join The Community