.....................
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারো কোচিং ব্যবসায়ীরা উন্মাদ-প্রবণ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ-আত্মসাতের জন্য।বর্ষাকালের ব্যাঙের ছাতার চেয়েও এখন কোচিং সেন্টার বেশি।শিক্ষা ব্যবসায়ীদের কোদণ্ড প্রতাপে কোচিং বাণিজ্য এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে; নষ্ট-প্রতিযোগিতা জানা সত্ত্বেও সচেতন-শিক্ষিত পিতামাতাও এখন নিজের সন্তানকে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি করানোর তাগিদে বাধ্য হচ্ছে কোচিং সেন্টারে ভর্তি করাতে।
এই কোচিং বাণিজ্যের অন্তরালে অনেক কোচিং সেন্টারে জঙ্গিবাদী রাজনীতির ভিত্তি রচিত হচ্ছে; তা কি আমাদের শিক্ষিত-সচেতন পিতামাতা জানে? ভর্তিচ্ছু বন্ধুদের তো জানবার কথাও না।
এই ধরণের কোচিং সেন্টারে নামমাত্র টাকা নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি করানো হয়।শিক্ষার্থীদের আর্থিক-দীনতার সুযোগ নিয়ে।জামাত-শিবেরের এইসব কোচিং সেন্টারে ভর্তিপ্রস্তুতির চেয়ে শিক্ষা দেয়া হয় দেশবিরোধী নানামুখী অপশিক্ষা, ধর্মের নামে দেয়া হয় মৌলবাদী শিক্ষা এবং মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয় জঙ্গিবাদী মানসিকতা।বাংলাদেশের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাসী সংগঠন শিবির ঘাটি গাড়বার তাগিদে, জঙ্গিবাদী কার্যক্রম পরিচালনার তাগিদে, পাকিস্তানবাদী কার্যক্রম পরিচালনার তাগিদে, প্রতিক্রিয়াশীলতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেবার তাগিদে - শিবির এই অপকৌশল চালাচ্ছে বিগত কয়েকটি যুগ।
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী বন্ধু এবং সচেতন পিতামাতাদের কাছে অনুরোধ; ভর্তি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে মরণ ফাঁদে পা দিও না, আপনার সন্তানদেরকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিবেন না।


Join The Community